মুসলিম পুনর্জাগরণ ও মধ্যযুগের জ্ঞান-বিজ্ঞানের ইতিহাসে যে কজন মনীষী তাঁদের কালজয়ী চিন্তাভাবনা দিয়ে বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন, তাঁদের মধ্যে শীর্ষে অবস্থান করছেন আল্লামা ইবনে খালদুন। তিনি একাধারে ঐতিহাসিক, সমাজবিজ্ঞানী, দার্শনিক, অর্থনীতিবিদ ও রাজনীতিবিদ। তাঁর রচিত বিশ্ববিখ্যাত গ্রন্থ ‘কিতাবুল ইবার’-এর ভূমিকা বা ভূমিকাংশ যা ‘আল মুকাদ্দিমা’ (The Muqaddimah) নামে পরিচিত, তা মানব সভ্যতার ইতিহাস চর্চায় এক অবিস্মরণীয় বিপ্লব এনেছিল। আধুনিক ইউরোপীয় পণ্ডিতগণ তাঁকে সমাজবিজ্ঞান (Sociology), ইতিহাসতত্ত্ব (Historiography) এবং জনমিতির (Demography) আদি জনক বা অন্যতম প্রধান পথপ্রদর্শক হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছেন। নিচে এই মহান মনিষীর বিস্তারিত জীবনী, কর্মময় জীবন, রাজনৈতিক চড়াই-উতরাই এবং তাঁর অমর জ্ঞানতাত্ত্বিক অবদানের বিবরণ তুলে ধরা হলো:
১. জন্ম ও বংশপরিচয়
ইবনে খালদুনের পূর্ণ নাম হলো— আবু জায়েদ ওয়ালিউদ্দিন আবদুর রহমান বিন মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন মুহাম্মদ বিন আল-হাসান বিন জাবির বিন মুহাম্মদ বিন ইব্রাহিম বিন আবদুর রহমান ইবনে খালদুন আল-হাদরামি আল-মাগরিবী আত-তুনিসি। তিনি ১৩৩২ খ্রিষ্টাব্দের ২৭ মে (১ রমজান, ৭৩২ হিজরি) তিউনিসিয়ার এক সম্ভ্রান্ত, রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী এবং উচ্চশিক্ষিত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।
তাঁর পূর্বপুরুষগণ মূলত ইয়েমেনের ‘হাদরামাউত’ অঞ্চলের একটি আরব গোত্রের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। ইসলামের প্রাথমিক যুগে (অষ্টম শতাব্দীতে) মুসলিম স্পেন বা আন্দালুস বিজয়ের সময় তাঁর পরিবার স্পেনে স্থানান্তরিত হয়। স্পেনের কারমোনা, কর্ডোভা এবং সেভিলে তাঁদের পরিবার অত্যন্ত দাপটের সাথে বসবাস করে এবং বহু উচ্চ সরকারি ও প্রশাসনিক পদে দায়িত্ব পালন করে। আন্দালুসিয়ানরা তাঁদের সম্মানার্থে ‘খালদুন’ বলে ডাকত, যা থেকে পরবর্তীতে তাঁদের বংশের নাম হয় ‘বানু খালদুন’। কিন্তু ত্রয়োদশ শতাব্দীতে খ্রিষ্টানদের পুনর্দখল অভিযানের (Reconquista) ফলে ১২৪৮ খ্রিষ্টাব্দে সেভিলের পতন ঘটলে, তাঁর পরিবার স্পেন ছেড়ে উত্তর আফ্রিকার তিউনিসিয়ায় এসে স্থায়ীভাবে আশ্রয় গ্রহণ করে।
২. শিক্ষাজীবন ও প্রাথমিক জীবনের ট্র্যাজেডি
তিউনিসিয়ার হাফসিদ সালতানাতের অধীনে ইবনে খালদুনের পরিবার সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে উচ্চ মর্যাদা লাভ করে। পারিবারিক আভিজাত্যের কারণে তিনি তৎকালীন উত্তর আফ্রিকার সেরা শিক্ষকদের সান্নিধ্যে এসে শিক্ষা গ্রহণের সুবর্ণ সুযোগ পান।
শৈশবেই তিনি পবিত্র কুরআন হিফজ সম্পন্ন করেন। এরপর তিনি আরবি ভাষাতত্ত্ব, ব্যাকরণ, হাদিস, ফিকহ (ইসলামী আইনশাস্ত্র) এবং সাহিত্যের ওপর গভীর পাণ্ডিত্য অর্জন করেন। তৎকালীন প্রখ্যাত গণিতবিদ এবং দার্শনিক আল-আবিলি তাঁকে গণিত, যুক্তিবিদ্যা এবং দর্শনের সাথে পরিচয় করিয়ে দেন। এই সময় তিনি বিখ্যাত মুসলিম দার্শনিক ইবনে রুশদ (Averroes), ইবনে সিনা (Avicenna), আল-রাজি এবং আল-তুসির রচনাবলী গভীরভাবে অধ্যয়ন করেন।
কিন্তু ১৭ বছর বয়সে তাঁর জীবনে একটি বড় বিপর্যয় নেমে আসে। ১৩৪৮-১৩৪৯ খ্রিষ্টাব্দে উত্তর আফ্রিকা ও ইউরোপজুড়ে ছড়িয়ে পড়া মহামারি ‘ব্ল্যাক ডেথ’ (Black Death)-এর কবলে পড়ে তিউনিসিয়া। এই ভয়াবহ মহামারিতে ইবনে খালদুন তাঁর পিতা ও মাতা—উভয়কেই একসাথে হারান। তাঁর বহু শিক্ষক ও মেন্টরও এই মহামারিতে প্রাণ হারান। পিতামাতাকে হারিয়ে তরুণ ইবনে খালদুন মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েন এবং জীবিকার সন্ধানে সক্রিয় রাজনীতি ও সরকারি চাকরিতে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।
৩. রাজনৈতিক জীবন এবং চড়াই-উতরাই
ইবনে খালদুনের জীবন ছিল অত্যন্ত নাটকীয় এবং রাজনৈতিক উত্থান-পতনে ভরপুর। মাত্র ২০ বছর বয়সে (১৩৫২ খ্রিষ্টাব্দে) তিউনিসের হাফসিদ শাসক সুলতান ইবনে তাফরাকিনের দরবারে ‘সিলবেয়ারার’ (Sealbearer) বা রাজকীয় ফরমানের লিপিকার হিসেবে তাঁর কর্মজীবন শুরু হয়। এর তিন বছর পর তিনি মরক্কোর ফেজ (Fez) শহরের সুলতান আবু ইনান ফারেসের দরবারে সচিব হিসেবে নিযুক্ত হন।
মরক্কোতে থাকাকালীন রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের শিকার হন তিনি। সুলতানের বিরুদ্ধে বিদ্রোহে লিপ্ত থাকার সন্দেহে তরুণ ইবনে খালদুনকে প্রায় দুই বছর কারাগারে বন্দি থাকতে হয়। পরবর্তীতে সুলতান আবু ইনানের মৃত্যুর পর তিনি মুক্তি পান এবং পুনরায় উচ্চ পদে আসীন হন।
রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে ১৩৬২ খ্রিষ্টাব্দে তিনি উত্তর আফ্রিকা ছেড়ে তাঁর পূর্বপুরুষের দেশ স্পেনের গ্রানাডায় চলে যান। গ্রানাডার নাসরি রাজবংশের সুলতান পঞ্চম মুহাম্মদ এবং তাঁর দূরদর্শী উজির ইবনে আল-খতিব ইবনে খালদুনকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান। সুলতান তাঁকে এক বিশেষ কূটনৈতিক মিশনে স্পেনের খ্রিষ্টান রাজা ‘পিটার দ্য ক্রুয়েল’-এর দরবারে ক্যাস্টিল-এ পাঠান। ইবনে খালদুন অত্যন্ত সফলভাবে সেই মিশন সম্পন্ন করেন। কিন্তু কিছুদিনের মধ্যেই উজির ইবনে আল-খতিবের সাথে তাঁর সুপ্ত মেধার প্রতিযোগিতা ও ঈর্ষার কারণে সম্পর্ক খারাপ হতে শুরু করে। ফলে গ্রানাডা ছেড়ে তিনি আবার উত্তর আফ্রিকায় ফিরে আসেন।
উত্তর আফ্রিকায় ফিরে তিনি বেজাইয়া (বর্তমান আলজেরিয়া), তলেমসেন এবং বিসক্রার মতো বিভিন্ন ক্ষুদ্র রাষ্ট্রের প্রধানদের উজির, প্রধানমন্ত্রী ও কূটনৈতিক দূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বেদুইন যাযাবর উপজাতিদের সাথে তাঁর চমৎকার সম্পর্ক ছিল। এই যাযাবর উপজাতিদের মনস্তত্ত্ব ও সমাজ কাঠামো তিনি খুব কাছ থেকে পর্যবেক্ষণ করার সুযোগ পান, যা পরবর্তীতে তাঁর সমাজতাত্ত্বিক তত্ত্ব গঠনে মূল ভূমিকা রেখেছিল।
৪. রাজনৈতিক অবসর এবং ‘আল মুকাদ্দিমা’ রচনা
বছরের পর বছর ধরে ক্ষমতার দ্বন্দ্ব, দরবারের অভ্যন্তরীণ নোংরা ষড়যন্ত্র এবং উত্তর আফ্রিকার শাসকদের ক্ষমতার পালাবদল ইবনে খালদুনকে ক্লান্ত ও বীতশ্রদ্ধ করে তোলে। ১৩৭৫ খ্রিষ্টাব্দে তিনি সিদ্ধান্ত নেন যে রাজনীতি থেকে দূরে সরে গিয়ে একান্তে জ্ঞানচর্চায় মগ্ন হবেন।
তিনি আলজেরিয়ার তিয়াওরেত অঞ্চলের যাযাবর ‘আওলাদ আরিফ’ উপজাতির আশ্রয় নেন। তারা তাঁকে এবং তাঁর পরিবারকে ‘কালাত ইবনে সালামাহ’ (Qal’at ibn Salama) নামক একটি দুর্গে নিরাপদ আশ্রয়ে থাকার ব্যবস্থা করে দেয়। এই দুর্গে সম্পূর্ণ কোলাহলমুক্ত পরিবেশে তিনি একটানা চার বছর কাটান। আর এখানেই তিনি তাঁর জীবনের শ্রেষ্ঠ কীর্তি, বিশ্ববিখ্যাত গ্রন্থ ‘কিতাবুল ইবার’ (বিশ্ব ইতিহাসের বই)-এর প্রথম খণ্ড বা ভূমিকা অংশ রচনা করেন, যা আজকে বিশ্ব দরবারে ‘আল মুকাদ্দিমা’ নামে খ্যাত। এই বইটিতে তিনি কোনো অলৌকিক বা আধ্যাত্মিক কারণ ছাড়াই সম্পূর্ণ বৈজ্ঞানিক, সামাজিক, ভৌগোলিক ও অর্থনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে মানব সভ্যতার উত্থান-পতনের কারণ ব্যাখ্যা করেন।
৫. মিশরে অবস্থান এবং শেষ জীবন
১৩৭৮ খ্রিষ্টাব্দে গবেষণার জন্য আরও বইপত্র ও তথ্যের প্রয়োজনে তিনি তিউনিসে ফিরে আসেন। কিন্তু সেখানেও রাজনৈতিক চাপ তৈরি হলে তিনি হজের উদ্দেশ্যে মক্কার দিকে রওনা হন। ১৩৮২ খ্রিষ্টাব্দে তিনি মিশরের কায়রোতে পৌঁছান। কায়রোর বিশালতা, জ্ঞানচর্চার পরিবেশ এবং স্থাপত্য দেখে তিনি মুগ্ধ হন। তিনি একে ‘বিশ্বের বাগান ও মানবতার মিলনমেলা’ হিসেবে অভিহিত করেন।
মিশরের মামলুক সুলতান আল-জাহির বারকুক তাঁকে কায়রোর বিখ্যাত জামে আল-আজহারের অধ্যাপক এবং মিশরের প্রধান ‘মালিকি কাজী’ (প্রধান বিচারপতি) হিসেবে নিয়োগ দেন। মিশরের বিচার বিভাগে বিদ্যমান দুর্নীতি দূর করতে গিয়ে তিনি বেশ কয়েকবার পদচ্যুত হন এবং পুনরায় নিযুক্ত হন। জীবনের শেষভাগে তিনি মোট ছয়বার প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব লাভ করেন।
১৩৮৪ খ্রিষ্টাব্দে তাঁর জীবনে আরেকটি ট্র্যাজেডি ঘটে। তিউনিস থেকে তাঁর স্ত্রী ও সন্তানরা জাহাজে চড়ে কায়রো আসার পথে আলেকজান্দ্রিয়ার উপকূলে এক ভয়াবহ সামুদ্রিক ঝড়ে জাহাজডুবি হয়ে সবাই মারা যান। এই গভীর শোকের পর তিনি নিজেকে সম্পূর্ণ একাকী করে নেন এবং লেখালেখি ও শিক্ষকতায় আত্মনিয়োগ করেন।
১৪০০ খ্রিষ্টাব্দে মামলুক সুলতানের সাথে তিনি সিরিয়ার দামেস্কে যান। সেই সময় মধ্য এশিয়ার কুখ্যাত ও দুর্ধর্ষ মঙ্গোল বিজয়ী তৈমুর লং দামেস্ক অবরোধ করেন। ইবনে খালদুন শহরবাসীর জীবন রক্ষার্থে এক দুঃসাহসিক পদক্ষেপ নেন। তিনি দুর্গপ্রাচীর থেকে দড়িতে ঝুলে নিচে নেমে সরাসরি তৈমুর লং-এর তাঁবুতে গিয়ে তাঁর সাথে সাক্ষাৎ করেন। তৈমুর লং এই মুসলিম দার্শনিকের প্রজ্ঞা ও পাণ্ডিত্যে অত্যন্ত মুগ্ধ হন। প্রায় এক মাস যাবৎ তাঁদের মধ্যে ইতিহাস, উত্তর আফ্রিকার ভূগোল এবং মানব সভ্যতা নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা হয়।
৬. ইবনে খালদুনের মূল তত্ত্বসমূহ (আসাবিয়্যাহ ও সমাজবিজ্ঞান)
ইবনে খালদুন ‘আল মুকাদ্দিমা’ গ্রন্থে বেশ কিছু অনন্য তত্ত্ব প্রদান করেছেন, যা তাঁকে আধুনিক সমাজবিজ্ঞানের ভিত্তি স্থাপনকারী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে:
- আসাবিয়্যাহ (Asabiyyah): এটি ইবনে খালদুনের ইতিহাসের দর্শনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধারণা। এর অর্থ হলো ‘সামাজিক সংহতি’, ‘গোষ্ঠী চেতনা’ বা ‘যৌথ একাত্মতা’। তিনি দেখিয়েছেন যে, যাযাবর বা বেদুইনদের মধ্যে এই আসাবিয়্যাহ বা গোষ্ঠী চেতনা অত্যন্ত তীব্র থাকে, যার ফলে তারা শক্তিশালী সাম্রাজ্য গড়ে তুলতে পারে। কিন্তু যখন সেই যাযাবর গোষ্ঠীটি শহরে এসে বিলাসী জীবনযাপন শুরু করে, তখন তাদের এই ‘আসাবিয়্যাহ’ দুর্বল হয়ে পড়ে।
- সাম্রাজ্যের জীবনচক্র তত্ত্ব: ইবনে খালদুনের মতে, একটি রাজবংশ বা সভ্যতার গড় আয়ু প্রায় ১২০ বছর বা তিন প্রজন্ম। প্রথম প্রজন্ম কষ্টসহিষ্ণু ও আসাবিয়্যাহ সমৃদ্ধ হয়। দ্বিতীয় প্রজন্ম বিজয়ের ফল ভোগ করে এবং নগরায়ণ শুরু করে। তৃতীয় প্রজন্ম বিলাসিতা ও অলসতায় মগ্ন হয়ে পড়ে, যার ফলে আসাবিয়্যাহ শূন্যের কোঠায় নেমে আসে এবং কোনো নতুন শক্তিশালী যাযাবর গোষ্ঠী এসে তাদের ধ্বংস করে নতুন সাম্রাজ্য গড়ে তোলে।
- অর্থনৈতিক চিন্তাভাবনা: তিনি শ্রমের মূল্য, কর ব্যবস্থা এবং সরবরাহ ও চাহিদার সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করেছেন। তিনি বলেন, করের হার কম থাকলে উৎপাদন বাড়ে এবং রাষ্ট্রের রাজস্ব বৃদ্ধি পায় (যা আধুনিক অর্থনীতিতে ‘লাফার কার্ভ’ বা Laffer Curve নামে পরিচিত)।
৭. মৃত্যু ও উত্তরাধিকার
১৪০৬ খ্রিষ্টাব্দের ১৭ মার্চ (২৬ রমজান, ৮০৮ হিজরি) কায়রোতে এই মহান মনীষী ৭৩ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। কায়রোর সুফি কবরস্থানে তাঁকে সমাহিত করা হয়।
দীর্ঘদিন যাবৎ মুসলিম বিশ্বে ইবনে খালদুনের এই অনন্য কাজগুলো আড়ালে পড়ে থাকলেও, উনবিংশ শতাব্দীতে ইউরোপীয় পণ্ডিতরা যখন ‘আল মুকাদ্দিমা’ আবিষ্কার ও অনুবাদ করেন, তখন তারা বিস্মিত হন। ফরাসি ও ব্রিটিশ চিন্তাবিদগণ তাঁকে অগাস্ট কোঁৎ বা কার্ল মার্ক্সের অনেক আগেই সমাজবিজ্ঞানের মূল সূত্র আবিষ্কার করার কৃতিত্ব দেন। আল্লামা ইবনে খালদুন আজীবন তাঁর ক্ষুরধার লেখনী ও স্বাধীন চিন্তার মাধ্যমে বিশ্ব ইতিহাসের পাতায় চিরস্মরণীয় হয়ে আছেন।
তার লেখা কিতাব :
০১. আল মুকাদ্দিমা ১ম খণ্ড
লেখক : ইবনে খালদুন
০২. আল মুকাদ্দিমা ২য় খণ্ড
লেখক : ইবনে খালদুন

