মাওলানা মুহাম্মদ ইসমাইল রেহান হলেন বর্তমান উপমহাদেশের অন্যতম প্রভাবশালী পাকিস্তানি ইসলামি পণ্ডিত, ইতিহাসবিদ, কলামিস্ট ও গবেষক। তিনি তাঁর বস্তুনিষ্ঠ ইতিহাস চর্চা এবং অনন্য লিখনশৈলীর জন্য বিশ্বজুড়ে বিশেষ করে বাংলাভাষী পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। মুসলিম উম্মাহর হারিয়ে যাওয়া গৌরব ও সঠিক ইতিহাসকে পরবর্তী প্রজন্মের সামনে তুলে ধরাই তাঁর জীবনের অন্যতম মূল লক্ষ্য।
নিচে তাঁর বিস্তারিত ও তথ্যবহুল জীবনী উপস্থাপন করা হলো:
১. জন্ম ও পারিবারিক পরিচিতি
মাওলানা ইসমাইল রেহানের মূল নাম মুহাম্মদ ইসমাইল। তবে সাহিত্য ও গবেষণার অঙ্গনে তিনি মূলত ‘ইসমাইল রেহান’ নামেই পরিচিত। [2]
- জন্ম তারিখ ও স্থান: তিনি ১৯৭১ সালের ১ ফেব্রুয়ারি (উইকিপিডিয়ার তথ্যানুযায়ী ২১ জুলাই ১৯৭২) পাকিস্তানের করাচির পুরানা গোলিমা এলাকায় জন্মগ্রহণ করেন।
- পারিবারিক শিকড়: তাঁর পিতা আব্দুল আজিজ। ১৯৪৭ সালে দেশভাগের সময় তাঁর পূর্বপুরুষরা ভারতের পশ্চিমবঙ্গ থেকে হিজরত করে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে (বর্তমানে বাংলাদেশ) এবং পরবর্তীতে পাকিস্তানে চলে যান। তাঁর পৈতৃক স্থায়ী নিবাস মূলত পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় এলাকা আটক জেলার হাসান আবদাল এলাকার খালিক দার গ্রামে। তবে পিতার কর্মস্থলের সুবাদে তাঁর শৈশব ও কৈশোর কাটে করাচিতে।
২. শিক্ষাজীবন ও ইলমি সাধনা
মাওলানা ইসমাইল রেহানের শিক্ষাজীবন ছিল দ্বীনি শিক্ষা ও আধুনিক প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার এক চমৎকার সমন্বয়। তিনি অত্যন্ত মেধাবী শিক্ষার্থী হিসেবে তাঁর শিক্ষাজীবন সম্পন্ন করেন:
- প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা: মায়ের কাছেই তাঁর প্রাথমিক দ্বীনি শিক্ষার হাতেখড়ি হয়। এরপর তিনি স্থানীয় একটি বিদ্যালয় থেকে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপ্ত করেন। ১৯৮৬ সালে তিনি বিজ্ঞান বিভাগ থেকে কৃতিত্বের সাথে মাধ্যমিক (মেট্রিক) সনদ অর্জন করেন। [4]
- হিফজুল কুরআন: তিনি পবিত্র কুরআনের একজন হাফেজ, যা তিনি প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার সমান্তরালে সম্পন্ন করেছিলেন।
- উচ্চতর দ্বীনি শিক্ষা: মাধ্যমিকের পর তিনি বিশ্ববিখ্যাত দ্বীনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান দারুল উলুম করাচিতে উচ্চতর ইসলামি শিক্ষার উদ্দেশ্যে ভর্তি হন। সেখানে বেশ কয়েক বছর পড়াশোনা করলেও কিছু বিশেষ পরিস্থিতির কারণে সেখান থেকে দাওরায়ে হাদিস (মাস্টার্স সমমান) সমাপ্ত করতে পারেননি। পরবর্তীতে ১৯৯৫ সালে তিনি বাহাদুরাবাদের বিখ্যাত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ‘মা’হাদুল খলীল আল ইসলামী’ মাদরাসা থেকে অত্যন্ত সফলভাবে দাওরায়ে হাদিস সম্পন্ন করে ‘মাওলানা’ উপাধি লাভ করেন।
- নোমানী (রহ.)-এর শিষ্যত্ব: ছাত্রজীবনে তিনি উপমহাদেশের প্রখ্যাত মুহাদ্দিস ও গবেষক মাওলানা আবদুর রশীদ নোমানী (রহ.)-এর সান্নিধ্য লাভ করেন, যা তাঁর গবেষণামূলক দৃষ্টিভঙ্গি গঠনে গভীর প্রভাব ফেলে।
- উচ্চশিক্ষা (বিশ্ববিদ্যালয়): মাদরাসার পড়াশোনা শেষ করে তিনি আধুনিক প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় মনোনিবেশ করেন। ২০০৬ সালে তিনি করাচি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে বি.এ (সম্মান) ডিগ্রি লাভ করেন। এরপর ২০১০ সালে করাচির উর্দু বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গৌরবজনকভাবে স্নাতকোত্তর (এম.এ) ডিগ্রি অর্জন করেন।
৩. কর্মজীবন ও শিক্ষকতা
শিক্ষা জীবন সমাপ্ত করার পর থেকে গত আড়াই দশকেরও বেশি সময় ধরে মাওলানা ইসমাইল রেহান দ্বীনি খিদমত ও শিক্ষকতায় নিমগ্ন রয়েছেন:
- অধ্যাপনা ও পাঠদান: তিনি পাকিস্তানের খ্যাতনামা উচ্চতর দ্বীনি গবেষণামূলক প্রতিষ্ঠান ‘জামিয়াতুর রশীদ’ করাচিতে দীর্ঘকাল যাবত অধ্যাপনা করছেন। সেখানে তিনি মূলত ‘ইসলামি ইতিহাস’ (Islamic History) এবং ‘বৌদ্ধিক বিজয়’ বা চিন্তাযুদ্ধের (Intellectual Warfare) মতো গুরুত্বপূর্ণ ও স্পর্শকাতর বিষয়ে অত্যন্ত দক্ষাতার সাথে পাঠদান করে আসছেন।
- সাংবাদিকতা ও সম্পাদনা: সাংবাদিকতা এবং সাময়িকী সম্পাদনার ক্ষেত্রেও তাঁর গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। ২০০৬ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত তিনি ‘মাসিক সুলূক ও ইহসান’ নামক আধ্যাত্মিক ও তাত্ত্বিক পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া তিনি শিশুদের মনন গঠনে প্রকাশিত বিখ্যাত পত্রিকা ‘বাচ্চোঁ কা ইসলাম’ এবং নারীদের সচেতনতামূলক পত্রিকা ‘খাওয়াতিন কা ইসলাম’-এর সম্পাদনা ও পরিচালনা পর্ষদের সাথে গভীরভাবে যুক্ত ছিলেন।
৪. ইতিহাসবিদ ও কলামিস্ট হিসেবে আত্মপ্রকাশ
মাওলানা ইসমাইল রেহান মূলত একজন দূরদর্শী ইতিহাসবিদ এবং কলম সৈনিক হিসেবে মুসলিম বিশ্বে পরিচিতি লাভ করেন:
- কলামিস্ট হিসেবে: তিনি পাকিস্তানের শীর্ষস্থানীয় দৈনিক ‘রোজনামা ইসলাম’ এবং জনপ্রিয় সাপ্তাহিক ‘যরবে মুমিন’ পত্রিকায় নিয়মিত কলাম লেখেন। সমসাময়িক মুসলিম বিশ্বের ভূ-রাজনীতি, বুদ্ধিবৃত্তিক লড়াই এবং সামাজিক অবক্ষয় রুখতে তাঁর প্রতিটি কলাম পাঠক সমাজকে গভীরভাবে আলোড়িত করে।
- ইতিহাসের পুনর্জাগরণ: অনেক ইতিহাসবিদ যখন নিছক রাজা-বাদশাহদের যুদ্ধবিগ্রহের বিবরণকে ইতিহাস মনে করতেন, তখন ইসমাইল রেহান ইতিহাসের নেপথ্যের কার্যকারণ, মুসলিম জাতির উত্থান-পতনের তাত্ত্বিক ব্যাখ্যা এবং ঐতিহাসিক ভুলগুলো নিরপেক্ষভাবে তুলে ধরেন। ইসলামি ইতিহাসের অন্যতম প্রধান ব্যক্তিত্ব মুফতি তকি উসমানী তাঁর ঐতিহাসিক গবেষণার ভূয়সী প্রশংসা করেছেন এবং তাঁর শ্রেষ্ঠ গ্রন্থ ‘তারিখে উম্মতে মুসলিমা’-র ভূমিকা লিখে দিয়েছেন।
৫. কালজয়ী রচনাবলী (বাংলায় অনূদিত গ্রন্থসমূহ)
ইতিহাস, সিরাত, আত্মরক্ষা এবং সমাজ সংস্কারের ওপর মাওলানা ইসমাইল রেহানের দশটিরও বেশি কালজয়ী গ্রন্থ রয়েছে। তাঁর প্রায় সবগুলো বড় বড় গ্রন্থই বাংলাদেশে বিভিন্ন প্রকাশনীর মাধ্যমে বাংলায় অনূদিত হয়ে তুমুল জনপ্রিয়তা লাভ করেছে:
১. মুসলিম উম্মাহর ইতিহাস (১-১৭ খণ্ড): এটি তাঁর জীবনের সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ এবং সুবিশাল গবেষণামূলক কাজ (মূল উর্দু: তারিখে উম্মতে মুসলিমা)। সৃষ্টির শুরু তথা আদম (আ.) থেকে শুরু করে বর্তমান সময় পর্যন্ত মুসলিম বিশ্বের একটি প্রামাণিক এবং নির্ভরযোগ্য বিশ্বকোষ এটি।
২. ইসলামের ইতিহাস (নবিযুগ হতে বর্তমান) ১-৩ খণ্ড: সাধারণ পাঠকদের জন্য ইসলামের মূল ধারাকে সহজ ভাষায় বোঝার উপযোগী একটি চমৎকার ইতিহাস গ্রন্থ।
৩. আফগানিস্তানের ইতিহাস (৩ খণ্ড একত্রে): ভূ-রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দেশ আফগানিস্তানের প্রাচীনকাল থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত রক্তক্ষয়ী ও গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস এতে বস্তুনিষ্ঠভাবে চিত্রিত হয়েছে।
৪. সুলতান সালাহউদ্দিন আইয়ুবি (১-৩ খণ্ড): ক্রুসেডের ইতিহাস এবং জেরুজালেম বিজয়ী বীর সুলতান সালাহউদ্দিন আইয়ুবির জীবন ও কর্মের ওপর লেখা অন্যতম সেরা প্রামাণিক আকর গ্রন্থ।
৫. সুলতান জালালুদ্দিন খাওয়ারিজমশাহ ও খাওয়ারিজম সাম্রাজ্যের ইতিহাস: তাতারীদের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে বুক চিতিয়ে লড়াই করা অকুতোভয় মুসলিম বীর সুলতান জালালুদ্দিনের জীবনের ট্র্যাজিক ও বীরত্বগাথা ইতিহাস।
৬. বিশ্বাসঘাতকদের ইতিহাস (আস্তিন কে সাপ): মুসলিম উম্মাহর সোনালী যুগে ভেতর থেকে যারা পিঠে ছুরি মেরেছে এবং মীর জাফরের ভূমিকা পালন করেছে, তাদের ঐতিহাসিক খতিয়ান।
৭. চিন্তাযুদ্ধ (নজরিয়াতি জং কে উসুল): পশ্চিমা সভ্যতা ও ইসলামবিদ্বেষী শক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক ও সাংস্কৃতিক আগ্রাসন কীভাবে মোকাবিলা করতে হবে, তার একটি চমৎকার গাইডলাইন।
৮. ইতিহাসের ধূসরখাতা ও হারিয়ে যাওয়া পদরেখা: ইতিহাসের বিভিন্ন অলিখিত বা বিকৃত অধ্যায়গুলোর চুলচেরা বিশ্লেষণ।
৬. বৈশ্বিক গ্রহণযোগ্যতা ও চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য
মাওলানা ইসমাইল রেহান কেবল একজন লেখকই নন, বরং একজন অত্যন্ত বিনয়ী ও সজ্জন ব্যক্তিত্ব। বাংলাদেশী গবেষক ও আলেমদের প্রতি তাঁর অগাধ শ্রদ্ধা রয়েছে। কোনো বড় প্রশংসা বা মূল্যায়নের মুখেও তিনি নিজেকে একজন ‘সাধারণ ইলমি শিক্ষার্থী’ হিসেবে উপস্থাপন করতে পছন্দ করেন। তাঁর লেখনী কোনো নির্দিষ্ট সংকীর্ণ মাজহাব বা গোঁড়ামির ঊর্ধ্বে উঠে সমগ্র মুসলিম উম্মাহর সার্বিক কল্যাণ ও জাগরণকে ত্বরান্বিত করে, যা তাঁকে আধুনিক বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ‘মুনসিফ’ বা নিরপেক্ষ ইতিহাসবিদ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
নিশ্চিতভাবে, মাওলানা মুহাম্মদ ইসমাইল রেহানের এই গৌরবময় কর্মজীবন এবং সাহিত্যসাধনা মুসলিম উম্মাহকে দীর্ঘকাল ধরে তাদের আত্মপরিচয় ও হারানো ঐতিহ্য মনে করিয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে এক আলোকবর্তিকা হিসেবে কাজ করবে।
আপনার সুবিধার্থে: মাওলানা ইসমাইল রেহানের বইগুলো সরাসরি সংগ্রহ করতে চাইলে কিংবা তাঁর আরও কাজ সম্পর্কে জানতে আপনি বাংলাদেশের জনপ্রিয় অনলাইন বুকশপ Wafilife-এ মাওলানা ইসমাইল রেহানের বইসমূহ অথবা Rokomari-তে মাওলানা ইসমাইল রেহানের বইয়ের তালিকা দেখতে পারেন।
আপনার কি মাওলানা ইসমাইল রেহানের নির্দিষ্ট কোনো বই (যেমন: মুসলিম উম্মাহর ইতিহাস বা চিন্তাযুদ্ধ) এর বিস্তারিত বিষয়বস্তু বা পর্যালোচনা জানার আগ্রহ রয়েছে? জানালে আমি সেই বিষয়ে সাহায্য করতে পারব।
তার লিখিত কিছু কিতাব :
১. মুসলিম উম্মাহর ইতিহাস
লেখক : মাওলানা ইসমাইল রেহান

মাওলানা ইসমাইল রেহান রচিত ‘মুসলিম উম্মাহর ইতিহাস’ বর্তমানে বাংলা ভাষায় অনূদিত ইসলামের ইতিহাসের অন্যতম জনপ্রিয় এবং প্রামাণিক একটি গ্রন্থ। যারা ইসলামের দীর্ঘ দেড় হাজার বছরের গৌরবময় ইতিহাস সম্পর্কে সম্যক জ্ঞান লাভ করতে চান, তাদের জন্য এই বইটি একটি আকর গ্রন্থ।
ইতিহাস কেবল অতীত দিনের গল্প নয়, বরং উত্তরসূরিদের জন্য এগিয়ে যাওয়ার পাথেয়। আর সেই ইতিহাস যদি হয় মুসলিম উম্মাহর উত্থান-পতন, বিজয়-বিপর্যয় আর বীরত্বগাথার—তবে তা পাঠ করা প্রতিটি সচেতন মুমিনের জন্য অপরিহার্য। সমকালীন বিশ্বের প্রখ্যাত ইতিহাসবেত্তা ও গবেষক মাওলানা ইসমাইল রেহান রচিত ‘মুসলিম উম্মাহর ইতিহাস’ (তারিখে উম্মতে মুসলিমা) গ্রন্থটি সেই তামাদ্দুনিক ঐতিহ্যের এক জীবন্ত দলিলে পরিণত হয়েছে।
বইটি কেন অনন্য?
সাধারণত ইতিহাসের বইগুলোতে কেবল রাজবংশ বা যুদ্ধের বর্ণনা থাকে, কিন্তু ইসমাইল রেহান এখানে ইতিহাসের পাশাপাশি সমকালীন প্রেক্ষাপট, ভূ-রাজনীতি, মুসলিম সমাজের বুদ্ধিবৃত্তিক লড়াই এবং আধ্যাত্মিক বিপ্লবকেও নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। এই গ্রন্থটির বৈশিষ্ট্য হলো—এটি একদিকে যেমন গবেষকদের জন্য নির্ভরযোগ্য রেফারেন্স হিসেবে কাজ করে, অন্যদিকে এর সাবলীল বর্ণনাভঙ্গি সাধারণ পাঠককেও ইতিহাসের অলিগলি ভ্রমণে উৎসাহিত করে।
বইটির মূল আকর্ষণসমূহ:
- বিশাল ব্যাপ্তি: প্রাক-ইসলামী যুগ থেকে শুরু করে খোলাফায়ে রাশেদিন, উমাইয়া, আব্বাসীয়, উসমানীয় খেলাফত হয়ে বর্তমান মুসলিম বিশ্বের প্রেক্ষাপট পর্যন্ত বিস্তৃত এক মহাকাব্যিক ভ্রমণ।
- নিরপেক্ষ বিশ্লেষণ: লেখক এখানে অন্ধ আবেগ নয়, বরং তথ্য-প্রমাণ ও দালিলিক প্রমাণের ভিত্তিতে মুসলিম ইতিহাসের বাঁকগুলো তুলে ধরেছেন।
- সহজপাঠ্য ভাষা: অত্যন্ত চমৎকার ও প্রাঞ্জল ভাষায় অনূদিত হওয়ায় জটিল সব ঐতিহাসিক ঘটনাবলীও পাঠকের কাছে সহজবোধ্য হয়ে ওঠে।
- ভ্রান্তি নিরসন: প্রাচ্যবিদ বা ইসলামবিদ্বেষী ঐতিহাসিকরা মুসলিম ইতিহাস নিয়ে যে সব বিভ্রান্তি ছড়িয়েছে, লেখক কলমের নিপুণ ছোঁয়ায় সেসবের দাঁতভাঙা জবাব দিয়েছেন।
আপনি যদি ইসলামের স্বর্ণালী দিনগুলোর হারানো ঐতিহ্য এবং বর্তমান মুসলিম বিশ্বের সংকটের শেকড় খুঁজতে চান, তবে মাওলানা ইসমাইল রেহানের এই সংকলনটি আপনার সংগ্রহে রাখা জরুরি। এটি কেবল একটি বই নয়, বরং মুসলিম উম্মাহর আয়না—যা আমাদের আমাদের গৌরবকে চিনতে এবং ভবিষ্যৎ গড়তে সাহায্য করে।
বইটির ডাউনলোড লিংক নিচে :
| ক্র: নং | খণ্ড নম্বর | ডাউনলোড |
| ০১ | প্রথম খণ্ড | ডাউনলোড |
| ০২ | দ্বিতীয় খণ্ড | ডাউনলোড |
| ০৩ | তৃতীয় খণ্ড | ডাউনলোড |
| ০৪ | চতুর্থ খণ্ড | ডাউনলোড |
| ০৫ | পঞ্চম খণ্ড | ডাউনলোড |
| ০৬ | ষষ্ঠ খণ্ড | ডাউনলোড |
০২. ইতিহাস পাঠের পূর্বকথা
লেখক : মাওলানা ইসমাইল রেহান
০৩. খাওয়ারিজম সাম্রাজ্যের ইতিহাস ১ম খন্ড
লেখক : মাওলানা ইসমাইল রেহান
০৪. খাওয়ারিজম সাম্রাজ্যের ইতিহাস ২য় খন্ড
লেখক : মাওলানা ইসমাইল রেহান
০৫. বুদ্ধিবৃত্তিক আগ্রাসনের ইতিবৃত্ত
লেখক : মাওলানা ইসমাইল রেহান



