শাইখ মুহাম্মদ নাসিরুদ্দীন আল-আলবানী (রহ.)

বিংশ শতাব্দীর মুসলিম বিশ্বের ইলমে হাদীসের পুনরুজ্জীবন, হাদীসের তাহকীক (বিশুদ্ধতা যাচাই) এবং সুন্নাহর সংরক্ষণে যে মনীষী সবচেয়ে অগ্রগণ্য ভূমিকা পালন করেছেন, তিনি হলেন শাইখ মুহাম্মদ নাসিরুদ্দীন আল-আলবানী (রহ.)। তাকে এই শতাব্দীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ হাদীস বিশারদ বা ‘মুহাদ্দিস’ হিসেবে গণ্য করা হয়।

নিচে এই মহান ইমামের জীবন, কর্ম এবং ইসলামে তার অতুলনীয় অবদান বিস্তারিতভাবে উপস্থাপন করা হলো।

১. জন্ম ও জন্মস্থান

শাইখ আলবানী হিজরী ১৩৩২ সন (মোতাবেক ১৯১৪ খ্রিষ্টাব্দ) আলবেনিয়ার তৎকালীন রাজধানী ‘শকোডার’ (Shkodër) শহরের একটি দরিদ্র ও দ্বীনদার পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পুরো নাম মুহাম্মদ নাসিরুদ্দীন বিন নুহু বিন আদম আল-নাজাতী আল-আলবানী।

২. পারিবারিক পটভূমি ও হিজরত

  • পিতা: তার পিতা আল-হাজ্জ নুহু নাজাতী ছিলেন আলবেনিয়ার একজন প্রখ্যাত আলেম। তিনি হানাফী ফিকহের একজন বড় পণ্ডিত ছিলেন।
  • হিজরত: শাইখ আলবানীর শৈশবে আলবেনিয়ায় ধর্মনিরপেক্ষ শাসক আহমেদ জোগু (Ahmed Zogu) ক্ষমতায় আসেন এবং পশ্চিমা সংস্কৃতির প্রচার শুরু করেন। ধর্মীয় স্বাধীনতা হুমকির মুখে পড়লে শাইখের পিতা সপরিবারে দ্বীন রক্ষার তাগিদে আলবেনিয়া ছেড়ে সিরিয়ার রাজধানী দামেস্কে হিজরত করেন। তখন শাইখ আলবানীর বয়স ছিল মাত্র ৯ বছর। ফলে তার বাকি জীবন দামেস্কেই গড়ে ওঠে।

৩. পড়াশোনা ও হাদীস শাস্ত্রের প্রতি অনুরাগ

দামেস্কে আসার পর শাইখ আলবানী প্রাথমিক শিক্ষা শুরু করেন।

  • প্রাথমিক শিক্ষা: তিনি দামেস্কের ‘জায়উইদ’ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি হন। সেখানে তিনি আরবী ভাষা ও দ্বীনি শিক্ষার প্রাথমিক স্তরের পড়াশোনা শেষ করেন।
  • পিতার তত্ত্বাবধানে শিক্ষা: প্রাতিষ্ঠানিক পড়াশোনার পাশাপাশি তার পিতা তাকে পবিত্র কুরআন হিফজ করান এবং হানাফী ফিকহের মৌলিক কিতাবসমূহ (যেমন: মুখতাসারুল কুদুরী) শিক্ষা দেন। এছাড়া তিনি আরবী ব্যাকরণ (নাহু-সরফ) ও অন্যান্য শাস্ত্র দামেস্কের প্রখ্যাত আলেমদের কাছ থেকে শেখেন।

হাদীস শাস্ত্রের দিকে টার্নিং পয়েন্ট

শাইখের পিতা চাইতেন ছেলে হানাফী ফিকহের বড় আলেম হোক। কিন্তু আল্লাহর ইচ্ছা ছিল ভিন্ন। আনুমানিক ২০ বছর বয়সে শাইখ আলবানী মিসরের বিখ্যাত ‘আল-মানার’ পত্রিকার একটি সংখ্যায় হাফেয ইরাকী (রহ.)-এর বিখ্যাত হাদীস গ্রন্থ ‘আল-মুগনী আন হামলিল আসফার’ (যা ইহয়াউ উলুমিদ্দীনের হাদীসসমূহের তাহকীক) দেখতে পান। এই বইটি পড়ার পর তার মধ্যে হাদীসের সহীহ-যয়ীফ বা বিশুদ্ধতা যাচাইয়ের প্রতি তীব্র অনুরাগ জন্মায়।

যেহেতু তার পরিবারের আর্থিক অবস্থা ভালো ছিল না, তাই তিনি জীবিকার জন্য তার পিতার কাছ থেকে ঘড়ি মেরামতের কাজ শেখেন। তিনি ঘড়ি মেরামতের পাশাপাশি দামেস্কের বিখ্যাত ‘মাকতাবাতুজ জাহিরিয়াহ’ (Zahiriyah Library) লাইব্রেরিতে দিনের ১২ ঘণ্টারও বেশি সময় হাদীসের পাণ্ডুলিপি গবেষণায় পার করে দিতেন। লাইব্রেরি কর্তৃপক্ষ তার এই গভীর অধ্যবসায় দেখে তাকে লাইব্রেরির একটি চাবি দিয়ে দিয়েছিল, যাতে তিনি যেকোনো সময় এসে পড়াশোনা করতে পারেন।

৪. কর্মজীবন ও শিক্ষকতা

শাইখ আলবানীর কর্মজীবন ছিল মূলত ইলমি গবেষণা, গ্রন্থ রচনা এবং লেকচারের মাধ্যমে দ্বীন প্রচার করা।

  • বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা: ১৯৬১ খ্রিষ্টাব্দে (হিজরী ১৩৮১) যখন মদিনা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়, তখন এর তৎকালীন ভাইস চ্যান্সেলর শাইখ মুহাম্মদ বিন ইব্রাহিম আল আশ-শাইখ এবং শাইখ বিন বায (রহ.)-এর আমন্ত্রণে শাইখ আলবানী সেখানে অধ্যাপক হিসেবে যোগ দেন। তিনি সেখানে দীর্ঘ ৩ বছর হাদীস ও এর আনুষঙ্গিক শাস্ত্র পড়ান।
  • বিশ্বজুড়ে দাওয়াতী সফর: তিনি ইউরোপ, এশিয়া এবং মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে সফর করে সহীহ সুন্নাহর দাওয়াত পৌঁছে দেন।
  • কারাবরণ ও নির্বাসন: তার সংস্কারমুখী দাওয়াত এবং অন্ধ তাকলীদের বিরুদ্ধে অবস্থানের কারণে তৎকালীন সিরিয়া সরকারের রোষানলে পড়ে তাকে একাধিকবার কারাবরণ করতে হয়। পরবর্তীতে তিনি সিরিয়া ত্যাগ করে জর্ডানের আম্মানে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন।

৫. ইসলামে কৃতিত্ব ও অবদান

শাইখ আলবানীর সবচেয়ে বড় অবদান হলো— হাদীস শাস্ত্রকে সাধারণ মানুষের জন্য সহজলভ্য ও বিশুদ্ধ করা।

  • সহীহ ও যয়ীফ হাদীসের পৃথকীকরণ: দীর্ঘ শত শত বছর ধরে হাদীসের কিতাবগুলোতে সহীহ ও দুর্বল হাদীসগুলো একসাথে সংকলিত ছিল, যা সাধারণ মানুষের পক্ষে আলাদা করা কঠিন ছিল। শাইখ আলবানী সুনানে আরবাআ (আবু দাউদ, তিরমিজী, নাসাঈ, ইবনে মাজাহ) সহ প্রধান প্রধান হাদীস গ্রন্থগুলোর প্রতিটি হাদীস পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে তাহকীক করে ‘সহীহ’ এবং ‘যয়ীফ’ অংশ আলাদা করেন।
  • ‘তাসফিয়াহ ও তারবিয়াহ’ আন্দোলন: শাইখ বিশ্বাস করতেন মুসলিম উম্মাহর পতনের মূল কারণ হলো দ্বীনের মধ্যে বিদআত ও যয়ীফ হাদীসের অনুপ্রবেশ। তাই তিনি ‘তাসফিয়াহ’ (দ্বীনকে ভেজালমুক্ত করা) এবং ‘তারবিয়াহ’ (বিশুদ্ধ সুন্নাহর আলোকে মুসলিম সমাজ গঠন)-এর ডাক দেন।
  • কিং ফয়সাল আন্তর্জাতিক পুরস্কার: ইসলাম ও হাদীস শাস্ত্রে অনন্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৯৯ সালে তাকে বিশ্বের অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ “কিং ফয়সাল আন্তর্জাতিক পুরস্কার” (King Faisal International Prize) প্রদান করা হয়।

৬. তার বিখ্যাত রচনাবলী

শাইখ আলবানী তার জীবনে ছোট-বড় মিলিয়ে প্রায় তিন শতাধিক গ্রন্থ রচনা ও তাহকীক করেছেন। তার বিশাল ইলমি কাজের কয়েকটি মাস্টারপিস নিচে উল্লেখ করা হলো:

১. সিলসিলাতুল আহাদীস আস-সহীহা (Silsilat al-Ahadith al-Sahihah): সহীহ হাদীসসমূহের এক বিশাল সংকলন ও ব্যাখ্যা।

২. সিলসিলাতুল আহাদীস আদ-দায়ীফা (Silsilat al-Ahadith al-Da’ifah): সমাজ ও কিতাবে প্রচলিত দুর্বল ও জাল হাদীসসমূহের খণ্ডন।

৩. সিফাতু সালাতিন নবী (Sifatu Salatin Nabiyy): “নবীজী (সা.)-এর সালাতের পদ্ধতি”। এটি বাংলাসহ পৃথিবীর প্রায় সব বড় ভাষায় অনূদিত ও বহুল পঠিত একটি বই।

৪. ইরওয়াউল গালীল (Irwa al-Ghalil): হাম্বলী ফিকহের বিখ্যাত গ্রন্থ ‘মানারুস সাবীল’-এর হাদীসসমূহের বিস্তারিত তাহকীক (৮ খণ্ড)।

৫. সহীহ ওয়া যয়ীফ সুনান আবু দাউদ, তিরমিজী, নাসাঈ ও ইবনে মাজাহ।

৬. আহকামুল জানায়িয (Ahkam al-Jana’iz): কাফন, দাফন ও জানাযার শরয়ী বিধান।

৭. ইন্তিকাল

ইলমে হাদীসের এই প্রোজ্জ্বল নক্ষত্র হিজরী ১৪২০ সনের ২২শে জুমাদাল উখরা (মোতাবেক ১৯৯৯ সালের ২রা অক্টোবর) শনিবার জর্ডানের রাজধানী আম্মানে ৮৫ বছর বয়সে ইন্তেকাল করেন।

মৃত্যুর পূর্বে তিনি ওসীয়ত করে গিয়েছিলেন যেন তার জানাযা ও দাফন খুব দ্রুত এবং সুন্নাহ সম্মতভাবে কোনো প্রকার শোরগোল ছাড়া সম্পন্ন করা হয়। তার ওসীয়ত অনুযায়ী, মৃত্যুর মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যে এশার সালাতের পর আম্মানের একটি স্থানীয় কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। তার জানাযায় মক্কার গ্র্যান্ড মুফতি শাইখ বিন বায (যিনি শাইখের মৃত্যুর কয়েক মাস আগে ইন্তেকাল করেছিলেন) সহ বিশ্বের সমস্ত উলামায়ে কেরাম গভীর শোক প্রকাশ করেন।

শাইখ বিন বায (রহ.) তার সম্পর্কে বলেছিলেন:

“এই যুগে আকাশের নিচে শাইখ আলবানীর চেয়ে বড় হাদীসের পণ্ডিত আর কেউ নেই।”

আল্লাহ তাআলা শাইখ আলবানীকে তার দ্বীনি খেদমত কবুল করে জান্নাতুল ফিরদাউস নসীব করুন। আমীন।

তার লিখিত কিছু কিতাব হলো :

শাইখ নাসিরুদ্দীন আলবানী (রহ.)

হাদীস হলো ইসলামের দ্বিতীয় প্রধান উৎস। তবে যুগের পরিক্রমায় রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর নামে অসংখ্য জাল ও ভিত্তিহীন কথা হাদীস হিসেবে সমাজে প্রচলিত হয়ে গেছে। এই মিশ্রণ থেকে সহীহ হাদীসকে পৃথক করা এবং উম্মাহর সামনে বিশুদ্ধ দ্বীন তুলে ধরা অত্যন্ত জরুরি একটি কাজ। বর্তমান যুগের শ্রেষ্ঠতম মুহাদ্দিস, আল্লামা শাইখ নাসিরুদ্দীন আলবানী (রহ.) তাঁর সারাটি জীবন এই মহান দায়িত্বে উৎসর্গ করেছেন।

গ্রন্থ পরিচিতি

শাইখ আলবানী (রহ.)-এর গবেষণালব্ধ শ্রেষ্ঠ কাজগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো তাঁর এই ‘সিলসিলা’ সিরিজ। এটি মূলত দুটি ধারায় বিভক্ত:

  1. সিলসিলাতুল আহাদীস আস-সহীহাহ (সিলসিলাতুস সহীহাহ): এখানে তিনি ঐসব হাদীস সংকলন করেছেন যেগুলোকে তিনি বিভিন্ন কিতাব থেকে যাচাই-বাছাই করে ‘সহীহ’ বা ‘হাসান’ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। এটি একজন মুমিনের আমল ও আকিদা সংশোধনের নির্ভরযোগ্য গাইড।
  2. সিলসিলাতুল আহাদীস আদ-যঈফাহ ওয়াল মাউদ্বুআহ (যঈফ ও জাল হাদীস সিরিজ): এটি হাদীস শাস্ত্রের একটি অনন্য কিতাব। সমাজে প্রচলিত যঈফ (দুর্বল) ও মাউদ্বু (জাল) হাদীসগুলো চিহ্নিত করে তিনি মুসলিম উম্মাহকে সতর্ক করেছেন, যাতে আমরা রাসুল (সা.)-এর নামে কোনো মিথ্যা কথা গ্রহণ না করি।

বাংলা অনুবাদের প্রয়োজনীয়তা

আরবি ভাষায় মূল কিতাবগুলো বিশালাকার হলেও বাংলা ভাষাভাষী পাঠকদের জন্য এগুলোর সারসংক্ষেপ এবং গুরুত্বপূর্ণ খণ্ডগুলো অনুবাদ করা হয়েছে। আমাদের সাইটে আমরা সিলসিলাতুস সহীহাহ (২ খণ্ড) এবং যঈফ ও জাল হাদীস সিরিজ (৪ খণ্ড)—সহ মোট ৬টি খণ্ড আপলোড করছি।

আমাদের উদ্দেশ্য

আমাদের লক্ষ্য হলো বিশুদ্ধ হাদীসের জ্ঞানকে প্রযুক্তির মাধ্যমে সবার হাতের নাগালে পৌঁছে দেওয়া। বাংলাভাষী সাধারণ পাঠক থেকে শুরু করে তালিবে ইলম ও গবেষকগণ যেন সহজেই এই নির্ভরযোগ্য কিতাবগুলো থেকে উপকৃত হতে পারেন, সেই প্রচেষ্টাই আমরা চালিয়ে যাচ্ছি।

“যে ব্যক্তি আমার দিকে এমন কোনো কথা সম্বন্ধ করল যা আমি বলিনি, সে যেন তার ঠিকানা জাহান্নামে বানিয়ে নেয়।” সহীহ বুখারী : ১০৯

সিলসিলাতুল আহাদীস আস-সহীহাহ দুই খণ্ড

ক্র: নংখণ্ড নম্বরডাউনলোড
০১প্রথম খণ্ড ডাউনলোড
০২দ্বিতীয় খণ্ড ডাউনলোড

যঈফ ও জাল হাদীস সিরিজ চার খণ্ড

ক্র: নংখণ্ড নম্বরডাউনলোড
০১প্রথম খণ্ড ডাউনলোড
০২দ্বিতীয় খণ্ড ডাউনলোড
০৩তৃতীয় খণ্ড ডাউনলোড
০৪চতুর্থ খণ্ড ডাউনলোড



০২. ইলমে হাদিসের গুরুত্ব ও মর্যাদা

লেখক : মুহাম্মদ নাসিরুদ্দীন আলবানী 



০৩. ইসলাম প্রচারক ভাই প্রথমে তাওহীদের দাওয়াত দিন

লেখক : মুহাম্মদ নাসিরুদ্দীন আলবানী 



০৪. ফিতনাতুত তাকফীর

লেখক : মুহাম্মদ নাসিরুদ্দীন আলবানী 



০৫. ঈদের সালাত ঈদগাহে পড়তে হবে কেন?

লেখক : মুহাম্মদ নাসিরুদ্দীন আলবানী 



০৬. কবর ও মাজার সংলগ্ন মাসজিদে সালাত আদায়ে সতর্ক হোন

লেখক : মুহাম্মদ নাসিরুদ্দীন আলবানী 



০৭. তারাবীহ ও ইতিকাফ

লেখক : মুহাম্মদ নাসিরুদ্দীন আলবানী 



০৮. দাজ্জাল ! মাসীহ দাজ্জালের কিসসা

লেখক : মুহাম্মদ নাসিরুদ্দীন আলবানী 



০৯. সহিহ হজ্জ উমরাহ পালন

লেখক : মুহাম্মদ নাসিরুদ্দীন আলবানী 



১০. নয়টি প্রশ্নের উত্তর

লেখক : মুহাম্মদ নাসিরুদ্দীন আলবানী 



১১. প্রত্যেক মাযহাবে সুন্নাহ বিরোধী ফাতওয়া আজ কেন বিদ্যামান

লেখক : মুহাম্মদ নাসিরুদ্দীন আলবানী 



১২. বাসর রাতের আদর্শ

লেখক : মুহাম্মদ নাসিরুদ্দীন আলবানী 



১৩. মৃত্যু – রোগ থেকে শুরু করে মৃত ব্যক্তি কেন্দ্রিক যাবতীয় করনীয় ও বজনীয় বিষয়সমূহ

লেখক : মুহাম্মদ নাসিরুদ্দীন আলবানী 



১৪. যঈফ ও মওজু হাদীসের সংকলন

লেখক : মুহাম্মদ নাসিরুদ্দীন আলবানী 



১৫. রাসুলুল্লাহ সাঃ এর নামায ১ম ও ২য় খণ্ড

লেখক : মুহাম্মদ নাসিরুদ্দীন আলবানী 



১৬. সলাতুত তারাবীহ

লেখক : মুহাম্মদ নাসিরুদ্দীন আলবানী 



১৭. সালাত সম্পাদনের পদ্ধতি

লেখক : মুহাম্মদ নাসিরুদ্দীন আলবানী 



১৮. আপনার হজ্ব শুদ্ধ হচ্ছে কি?

লেখক : মুহাম্মদ নাসিরুদ্দীন আলবানী 


"বাংলা ইসলামিক বইয়ের বিশাল পিডিএফ (PDF) আর্কাইভ"