বিংশ এবং একবিংশ শতাব্দীর সমসাময়িক প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের ইসলামি অঙ্গন, সমাজ সংস্কার এবং উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে যে ক’জন বরেণ্য ব্যক্তিত্ব অনন্য সাধারণ ভূমিকা রেখেছেন, তাঁদের মধ্যে প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব অন্যতম। তিনি একাধারে একজন প্রখ্যাত ইসলামি গবেষক, সফল সমাজ সংস্কারক, মিডিয়া ব্যক্তিত্ব, সুপ্রতিষ্ঠিত শিক্ষক এবং “আহলেহাদীছ আন্দোলন বাংলাদেশ”-এর প্রতিষ্ঠাতা আমীর। বিশুদ্ধ আকীদা (বিশ্বাসের ভিত্তি) ও আমল (ধর্মীয় কর্ম) সংস্কারের লক্ষ্যে তিনি যে বুদ্ধিভিত্তিক আন্দোলনের সূচনা করেছেন, তা বাংলাদেশের মুসলিম সমাজে এক যুগান্তকারী অধ্যায়। তাঁর বর্ণাঢ্য জীবনের বিস্তারিত আলোচনা উপস্থাপন করা হলো:
১. জন্ম ও জন্মস্থান
ড. মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব ১৯৪৮ সালের ১৫ জানুয়ারি তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের (বর্তমান বাংলাদেশ) দক্ষিণাঞ্চলীয় জেলা সাতক্ষীরার সদর থানার অন্তর্গত বুলারাটি গ্রামে এক ঐতিহ্যবাহী ও সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।
২. পিতামাতা ও বংশ পরিচয়
তাঁর পারিবারিক ও বংশীয় ইতিহাস অত্যন্ত সমৃদ্ধ এবং ঐতিহ্যমণ্ডিত:
- পিতা: তাঁর পিতা ছিলেন প্রখ্যাত আলেম মাওলানা আহমাদ আলী (১৮৮৩-১৯৭৬), যিনি অবিভক্ত বাংলা ও তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের দক্ষিণাঞ্চলে আহলেহাদীছ আন্দোলনের একজন বলিষ্ঠ ও সর্বজনশ্রদ্ধেয় নেতা ছিলেন।
- বংশীয় ধারা ও অনুবাদ সূত্র: ইতিহাস ও জীবনী গ্রন্থসমূহের তথ্য বিশ্লেষণ করলে জানা যায়, তাঁর ঊর্ধ্বতন ৭ম পুরুষ সৈয়দ শাহ নযীর আলী আল-মাগরেবী (রহ.) ইসলাম প্রচারের মহান ব্রত নিয়ে উত্তর আফ্রিকা মহাদেশের মরক্কো (আরবিতে: المغرب বা ‘আল-মাগরিব’) থেকে ভারতীয় উপমহাদেশে আগমন করেছিলেন। পরবর্তীতে তিনি পশ্চিমবঙ্গের ২৪ পরগনায় স্থায়ী হন। এই মরক্কো বংশোদ্ভূত খাঁটি ইসলামি ঐতিহ্য ড. গালিবের পারিবারিক রক্তে প্রবাহমান ছিল।
- পারিবারিক ঐতিহ্য: তাঁর বড় ভাই আব্দুল্লাহিল বাকী ছিলেন তৎকালীন মুসলিম লীগের একজন বিশিষ্ট নেতা এবং ১৯৪৭ সালের দেশ বিভাগের সময় পাকিস্তান আন্দোলনের অন্যতম সক্রিয় সংগঠক।
৩. পড়াশোনা ও শিক্ষাজীবন
ড. আসাদুল্লাহ আল-গালিবের শিক্ষাজীবন ছিল অত্যন্ত মেধা ও কৃতিত্বে উজ্জ্বল। মাদ্রাসা ও সাধারণ—উভয় ধারার শিক্ষা ব্যবস্থায় তিনি অভূতপূর্ব সাফল্যের স্বাক্ষর রেখেছেন:
- মাদ্রাসা শিক্ষা: তিনি নিজ জেলার ঐতিহ্যবাহী কাকডাঙ্গা সিনিয়র মাদ্রাসা থেকে দাখিল, আলিম ও ফাজিল পরীক্ষায় কৃতিত্বের সাথে উত্তীর্ণ হন। এরপর ১৯৬৯ সালে জামালপুরের আরামনগর কামিল মাদ্রাসা থেকে ‘কামিল’ (হাদিস বিভাগ) পরীক্ষায় তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান মাদ্রাসা বোর্ডে সম্মিলিত মেধা তালিকায় ৫ম স্থান অধিকার করেন।
- সাধারণ শিক্ষা: মাদ্রাসার গণ্ডি পেরিয়ে তিনি সাধারণ ধারার শিক্ষায় যুক্ত হন। তিনি কলারোয়া সরকারি কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক (আইএ) এবং খুলনা সরকারি মজিদ মেমোরিয়াল (সিটি) কলেজ থেকে স্নাতক (বিএ) ডিগ্রি লাভ করেন।
- উচ্চশিক্ষা ও বিশ্ববিদ্যালয়: ১৯৭৬ সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবী বিভাগ থেকে স্নাতকোত্তর (এমএ) পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে প্রথম শ্রেণীতে প্রথম (১ম স্থান) হওয়ার গৌরব অর্জন করেন। ১৯৮৫ সালে তিনি ইংল্যান্ডে পিএইচডি গবেষণার জন্য মর্যাদাপূর্ণ কমনওয়েলথ স্কলারশিপ লাভ করলেও বিশেষ কারণে সেখানে যাননি। পরবর্তীতে ১৯৯২ সালে তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি (PhD) ডিগ্রি লাভ করেন।
- ভাষাগত দক্ষতা: মাতৃভাষা বাংলার পাশাপাশি তিনি আরবি, ইংরেজি, উর্দু এবং ফার্সি ভাষায় সমান পারদর্শী।
৪. কর্মজীবন
শিক্ষা জীবন শেষ করে ড. গালিব শিক্ষকতাকে পেশা হিসেবে বেছে নেন এবং অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে দীর্ঘ সময় শিক্ষাদানে অতিবাহিত করেন:
- রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগদান: ১৯৮০ সালে তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘আরবী ও ইসলামি শিক্ষা’ বিভাগে প্রভাষক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন।
- অধ্যাপনা ও অবসর: কর্মজীবনে তিনি তাঁর মেধা, জ্ঞান এবং প্রশাসনিক দক্ষতার মাধ্যমে অধ্যাপক পদে উন্নীত হন। দীর্ঘ প্রায় ৩৬ বছর সফলভাবে অধ্যাপনা করার পর ২০১৬ সালে তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবী বিভাগ থেকে একজন লিজেন্ডারি অধ্যাপক হিসেবে অবসর গ্রহণ করেন।
৫. ইসলামে কৃতিত্ব ও অবদান
ড. আসাদুল্লাহ আল-গালিবের মূল কৃতিত্ব হলো—বাংলাদেশ ও দক্ষিণ এশিয়ায় বিশুদ্ধ তাওহীদ ও সুন্নাহর ভিত্তিতে সমাজ সংস্কারের একটি প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়া।
- আহলেহাদীছ আন্দোলন বাংলাদেশ (AHAB): সমাজ থেকে অন্ধ তাকলীদ (ব্যক্তিপূজা), শিরক, বিদআত এবং যাবতীয় কুসংস্কার দূর করে “কুরআন ও সহীহ সুন্নাহর” আলোকে সমাজ গঠনের উদ্দেশ্যে ১৯৯৪ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর তিনি ‘আহলেহাদীছ আন্দোলন বাংলাদেশ’ প্রতিষ্ঠা করেন। বর্তমানে এটি দেশের অন্যতম প্রধান ও সুসংগঠিত অরাজনৈতিক ইসলামি সংগঠন।
- অঙ্গ সংগঠনসমূহ: যুব সমাজকে সঠিক নৈতিকতা শেখাতে তিনি ‘আহলেহাদীছ যুবসংঘ’ এবং সোনামণিদের জন্য ‘সোনামণি’ নামক শিশু-কিশোর সংগঠন গড়ে তোলেন।
- সমাজকল্যাণ ও শিক্ষা বিস্তার: মানবসেবা ও সমাজ কল্যাণের জন্য তিনি ‘তাওহীদ ট্রাস্ট’ এবং ‘ইসলামী কমপ্লেক্স’ প্রতিষ্ঠা করেন, যার অধীনে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে শত শত আদর্শ মসজিদ, মাদ্রাসা, এতিমখানা এবং গভীর নলকূপ স্থাপন করা হয়েছে।
আদর্শিক মূলনীতি (The Ideological Stance):
ড. গালিবের একটি বিখ্যাত ইংরেজি বক্তব্য অনুবাদ করলে তাঁর মূল লক্ষ্যটি স্পষ্ট বোঝা যায়:
“We want to establish such an Islamic society, where there shall be appeared no heterogeneous isms in the name of progressiveness, nor any Mazhabi parochialism in the name of Islam.”
বঙ্গানুবাদ: “আমরা এমন একটি ইসলামি সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে চাই, যেখানে প্রগতিশীলতার নামে কোনো বিজাতীয় মতবাদের অনুপ্রবেশ ঘটবে না, আবার ইসলামের নামে কোনো মাযহাবী সংকীর্ণতা বা গোঁড়ামি থাকবে না।”
৬. তাঁর লেখনী ও গবেষণা গ্রন্থসমূহ
ড. মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব একাধারে বহু গ্রন্থ প্রণেতা এবং কালজয়ী গবেষক। তিনি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা গ্রন্থ, অনুবাদ ও নিবন্ধ প্রকাশ করেছেন। এছাড়া তিনি গবেষণাধর্মী দ্বিমাসিক বা মাসিক পত্রিকা ‘মাসিক আত-তাহরীক’-এর প্রধান সম্পাদক।
তাঁর রচিত ও অনূদিত প্রায় অর্ধশতাধিক বইয়ের মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হলো:
| বইয়ের নাম | মূল বিষয়বস্তু ও গুরুত্ব |
| সালাতুর রাসূল (ছাঃ) | সহীহ হাদিসের আলোকে রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর সালাত বা নামায আদায়ের পদ্ধতি নিয়ে লেখা, যা বাংলাদেশে সর্বাধিক পঠিত ও সমাদৃত বইগুলোর একটি। |
| সীরাতুর রাসূল (ছাঃ) | নির্ভরযোগ্য ও বিশুদ্ধ সীরাত সূত্রের আলোকে রচিত রাসূল (সা.)-এর একটি অনন্য ও তথ্যবহুল জীবনী গ্রন্থ। |
| তারজমা ও তাফসীরুল কুরআন | সাধারণ মানুষের সহজে বুঝার জন্য পবিত্র কুরআনের প্রাঞ্জল বঙ্গানুবাদ ও সংক্ষিপ্ত তাফসীর। |
| আহলেহাদীছ আন্দোলন: উৎপত্তি ও ক্রমবিকাশ | দক্ষিণ এশিয়ার প্রেক্ষাপটে আহলেহাদীছ আন্দোলনের ইতিহাস ও সংস্কারের ওপর লিখিত তাঁর পিএইচডি (PhD) থিসিসের বই রূপ। |
| ইক্বামাতে দ্বীন: পথ ও পদ্ধতি | ইসলামি সমাজ বা রাষ্ট্র ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার সঠিক ও নববী পদ্ধতি কী, তা নিয়ে একটি তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ। |
| অন্যান্য বই | তাক্বদীর বা ভাগ্য, আদর্শ পরিবার, সমাজ বিপ্লবের ধারা, জিহাদ ও সন্ত্রাসবাদ ইত্যাদি। |
৭. বর্তমান অবস্থা :
প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব আল্লাহর অশেষ রহমতে এখনও জীবিত আছেন। ২০২৬ সালের বর্তমান সময় পর্যন্ত তিনি বার্ধক্যজনিত কিছু শারীরিক সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও সম্পূর্ণ সুস্থ আছেন এবং রাজশাহীতে তাঁর নিজ বাসভবনে অবস্থান করছেন। তিনি এখনও নিয়মিত পড়াশোনা, গবেষণা, ফতোয়া প্রদান এবং সংগঠনের বিভিন্ন দিকনির্দেশনামূলক কাজে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে যাচ্ছেন। আমরা মহান আল্লাহর কাছে তাঁর সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘ নেক হায়াত কামনা করি।
ড. আসাদুল্লাহ আল-গালিবের জুমআর খুতবা — ড. মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিবের নিজস্ব তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ, সমাজ সংস্কারের ডাক এবং তাঁর বাচনভঙ্গি সম্পর্কে সরাসরি ধারণা পেতে এই জুমআর খুতবার ভিডিওটি দেখতে পারেন।
তার লেখা কিছু বইয়ের লিংক :
০১. নবীদের কাহিনী
লেখক : ড. মুহাম্মদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব।

ড. মুহাম্মদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব রচিত ‘নবীদের কাহিনী’ গ্রন্থটি বাংলা ভাষায় রচিত আম্বিয়া আলাইহিমুস সালামদের জীবনী বিষয়ক এক অনন্য ও তথ্যসমৃদ্ধ সংকলন। প্রচলিত অনেক সীরাত গ্রন্থে ইসরাঈলী রেওয়ায়েত বা অনির্ভরযোগ্য গল্পের অনুপ্রবেশ ঘটলেও, এই বইটির প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এর বিশুদ্ধতা। লেখক অত্যন্ত সতর্কতার সাথে পবিত্র কুরআন এবং সহীহ হাদীসের আলোকে নবীদের জীবন আখ্যান বর্ণনা করেছেন, যা একে অন্যান্য সাধারণ জীবনীগ্রন্থ থেকে আলাদা করেছে।
বইটি কেবল ইতিহাস চর্চার জন্য নয়, বরং নবীদের দাওয়াতের পদ্ধতি, তাঁদের সবর (ধৈর্য) এবং মহান আল্লাহর প্রতি অটুট বিশ্বাসের শিক্ষা নিতে এক অপরিহার্য দলিল। এতে আদম (আ.) থেকে শুরু করে বিভিন্ন নবী-রাসূলগণের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাবলি অত্যন্ত চমৎকার ও সাবলীল ভাষায় তুলে ধরা হয়েছে। প্রতিটি কাহিনীর শেষে লেখক সেই নবীর জীবন থেকে প্রাপ্ত শিক্ষা ও উপদেশ সংক্ষেপে আলোচনা করেছেন, যা পাঠকের নৈতিক ও আত্মিক উন্নয়নে সহায়ক ভূমিকা পালন করে।
বিশেষ করে যারা তথ্যনির্ভর এবং কুসংস্কারমুক্ত সীরাত সাহিত্য পাঠ করতে আগ্রহী, তাঁদের জন্য এই গ্রন্থটি একটি নির্ভরযোগ্য আলোকবর্তিকা। এটি শিক্ষার্থীদের জ্ঞানপিপাসা মেটানোর পাশাপাশি সাধারণ পাঠকদের মনেও দ্বীনি চেতনা জাগ্রত করতে সক্ষম। এক কথায়, বিশুদ্ধ ইসলামী ইতিহাসের সন্ধানে থাকা পাঠকদের জন্য এটি একটি সেরা সংগ্রহ।
বইটি পড়তে বা ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন:
| ক্র: নং | খণ্ড নম্বর | ডাউনলোড |
| ০১ | প্রথম খণ্ড | প্রথম খণ্ড |
| ০২ | দ্বিতীয় খণ্ড | দ্বিতীয় খণ্ড |
০২. আক্বীদা ইসলামিয়াহ
লেখক : ড. আসাদুল্লাহ গালিব
০৩. আশুরায়ে মুহাররম ও আমাদের করণীয়
লেখক : ড. আসাদুল্লাহ গালিব
০৪. ইনসানে কামেল
লেখক : ড. আসাদুল্লাহ গালিব
০৫. ইসলামী খিলাফত ও নেতৃত্ব নির্বাচন
লেখক : ড. আসাদুল্লাহ গালিব
০৬. উদাত্ত আহবান
লেখক : ড. আসাদুল্লাহ গালিব
০৭. ছবি ও মূর্তি
লেখক : ড. আসাদুল্লাহ গালিব
০৮. জিহাদ ও কিতাল
লেখক : ড. আসাদুল্লাহ গালিব
০৯. জীবন দর্শন
লেখক : ড. আসাদুল্লাহ গালিব
১০. তালাক ও তাহলীল
লেখক : ড. আসাদুল্লাহ গালিব
১১. তিনটি মতবাদ
লেখক : ড. আসাদুল্লাহ গালিব
১২. দাওয়াত ও জিহাদ
লেখক : ড. আসাদুল্লাহ গালিব
১৩. ধর্ম নিরপক্ষ মতবাদ
লেখক : ড. আসাদুল্লাহ গালিব
১৪. নৈতিক ভিত্তি ও প্রস্তাবনা
লেখক : ড. আসাদুল্লাহ গালিব
১৫. মাসায়েলে কুরবানি ও আকীকা
লেখক : ড. আসাদুল্লাহ গালিব
১৬. মীলাদ প্রসংগ
লেখক : ড. আসাদুল্লাহ গালিব
১৭. শবেবরাত
লেখক : ড. আসাদুল্লাহ গালিব
১৮. সমাজ বিপ্লবের ধারা
লেখক : ড. আসাদুল্লাহ গালিব
১৯. সালাতুর রাসুল
লেখক : ড. আসাদুল্লাহ গালিব
২০. সীরাতুল রাসুল (সা.)
লেখক : ড. আসাদুল্লাহ গালিব
২১. হজ্জ ও উমরাহ
লেখক : ড. আসাদুল্লাহ গালিব
২১. হিংসা ও অহংকার
লেখক : ড. আসাদুল্লাহ গালিব




















