মুফতি মুহাম্মদ শফি বিন মুহাম্মদ ইয়াসিন উসমানি দেওবন্দি (রহ.) ছিলেন বিংশ শতাব্দীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ ইসলামী চিন্তাবিদ, প্রখ্যাত ফকিহ (ইসলামী আইনবিদ), মুফাসসির (কুরআনের ব্যাখ্যাকার) এবং দারুল উলুম করাচির প্রতিষ্ঠাতা। ভারতীয় উপমহাদেশে ইসলামি জ্ঞানচর্চা, বিশেষ করে ফিকহ ও তাফসিরের ক্ষেত্রে তাঁর অবদান অবিস্মরণীয়। নিচে বিস্তারিতভাবে তাঁর জীবন ও কর্মের বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হলো।
১. জন্ম ও জন্মস্থান
মুফতি মুহাম্মদ শফি (রহ.) ১৮৯৬ খ্রিষ্টাব্দের ২৫ জানুয়ারি (১৩১৪ হিজরির ২১ শাবান) ভারতের উত্তর প্রদেশের সাহারানপুর জেলার ঐতিহ্যবাহী দেওবন্দ নামক স্থানে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি একটি অত্যন্ত সম্ভ্রান্ত ও দ্বীনদার পরিবারে জন্ম নেন। ইসলামের তৃতীয় খলিফা হযরত উসমান জিন্নুরাইন (রা.)-এর বংশধারার সাথে তাঁর বংশলতিকা গিয়ে মিলেছে বলে তাঁর নামের শেষে “উসমানি” যুক্ত করা হয়।
২. পিতামাতা ও পারিবারিক পটভূমি
তাঁর পিতা মাওলানা মুহাম্মদ ইয়াসিন (রহ.) ছিলেন দারুল উলুম দেওবন্দের একজন প্রখ্যাত শিক্ষক ও ফারসি সাহিত্যের পণ্ডিত। তিনি একজন অত্যন্ত মুত্তাকী ও আল্লাহভীরু মানুষ ছিলেন। মুফতি শফি (রহ.)-এর প্রাথমিক লালন-পালন ও চিন্তার জগতে তাঁর পিতার প্রভাব ছিল অপরিসীম। তাঁর মাতা ছিলেন একজন পুণ্যবতী নারী, যিনি সন্তানের দ্বীনি ও নৈতিক শিক্ষার দিকে বিশেষ নজর রাখতেন। এই পবিত্র পারিবারিক আবহেই তিনি শৈশব থেকেই ইসলামি মূল্যবোধে বড় হয়ে ওঠেন।
৩. পড়াশোনা ও শিক্ষা জীবন
মুফতি মুহাম্মদ শফি (রহ.)-এর শিক্ষাজীবন শুরু হয় দারুল উলুম দেওবন্দে। তিনি অত্যন্ত মেধাবী ও পরিশ্রমী ছাত্র ছিলেন।
- প্রাথমিক শিক্ষা: পিতার তত্ত্বাবধানে তিনি পবিত্র কুরআন ও ফারসি সাহিত্যের প্রাথমিক পাঠ সমাপ্ত করেন।
- দারুল উলুম দেওবন্দে উচ্চশিক্ষা: মাত্র ১৩ বছর বয়সে (১৩২৭ হিজরিতে) তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে দারুল উলুম দেওবন্দের নিয়মিত দরসে (শ্রেণিতে) ভর্তি হন। সেখানে তিনি আলিম পাঠ্যক্রমের (দরসে নিজামি) সমস্ত উচ্চতর কিতাব অত্যন্ত সুনামের সাথে সম্পন্ন করেন।
- তাঁর শিক্ষকগণ: তিনি সে সময়ের শ্রেষ্ঠ উলামাদের সান্নিধ্য লাভ করেন। তাঁর শিক্ষকদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন:
- শায়খুল হিন্দ মাওলানা মাহমুদ হাসান দেওবন্দি (রহ.)
- আল্লামা আনোয়ার শাহ কাশ্মীরি (রহ.)
- মাওলানা আজিজুর রহমান উসমানি (রহ.)
- মাওলানা হাবিবুর রহমান দেওবন্দি (রহ.)
১৯১৮ খ্রিষ্টাব্দে (১৩৩৬ হিজরি) তিনি দারুল উলুম দেওবন্দ থেকে সর্বোচ্চ ডিগ্রি (দাওরায়ে হাদিস) লাভ করেন। এরপর তিনি তাঁর শিক্ষক মুফতি আজিজুর রহমান উসমানি (রহ.)-এর অধীনে ফিকহ ও ফতোয়া প্রদানের গভীর প্রশিক্ষণ নেন। আত্মিক পরিশুদ্ধির (তাসাউফ) জন্য তিনি বিখ্যাত সুফি সাধক হাকিমুল উম্মত মাওলানা আশরাফ আলী থানভী (রহ.)-এর নিকট বায়াত হন এবং খেলাফত লাভ করেন।
৪. কর্মজীবন
শিক্ষা জীবন শেষ করার পর ১৯১৮ খ্রিষ্টাব্দেই তিনি তাঁর প্রিয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান দারুল উলুম দেওবন্দে শিক্ষক হিসেবে যোগ দেন।
দেওবন্দের মুফতি হিসেবে দায়িত্ব
শুরুতে তিনি প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের কিতাব পড়াতেন। পরবর্তীতে তাঁর গভীর জ্ঞান ও প্রজ্ঞার কারণে তাঁকে উচ্চতর ফিকহ ও হাদিসের কিতাব পড়ানোর দায়িত্ব দেওয়া হয়। ১৯২৭ খ্রিষ্টাব্দে (১৩৪৬ হিজরি) তাঁকে দারুল উলুম দেওবন্দের ‘দারুল ইফতা’ (ফতোয়া বিভাগ)-এর প্রধান বা ‘প্রধান মুফতি’ (মুফতিয়ে আজম) হিসেবে নিযুক্ত করা হয়। তিনি সুদীর্ঘকাল এই দায়িত্ব পালন করেন এবং হাজার হাজার জটিল ও আধুনিক সমস্যার শরয়ী সমাধান বা ফতোয়া প্রদান করেন।

পাকিস্তান আন্দোলন ও হিজরত
১৯৪০-এর দশকে যখন ভারতবর্ষ বিভক্ত হচ্ছিল, তখন তিনি আল্লামা শাব্বির আহমদ উসমানি (রহ.)-এর নেতৃত্বে পাকিস্তান আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। মুসলমানদের জন্য একটি স্বাধীন আবাসন তৈরির উদ্দেশ্যে তিনি দেওবন্দের শিক্ষকতা ছেড়ে দেশব্যাপী জনমত গঠনে কাজ করেন। ১৯৪৭ খ্রিষ্টাব্দে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর তিনি ভারত থেকে হিজরত করে পাকিস্তানের করাচিতে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন।
দারুল উলুম করাচি প্রতিষ্ঠা
পাকিস্তানে গিয়ে তিনি ইসলামি শিক্ষার প্রসার এবং ফতোয়ার শূন্যতা পূরণের জন্য ১৯৫১ খ্রিষ্টাব্দে করাচির নানকওয়াড়ায় একটি পুরোনো ভবনে ‘দারুল উলুম করাচি’ প্রতিষ্ঠা করেন। পরবর্তীতে এটি করাচির কোরাঙ্গি এলাকায় এক বিশাল ক্যাম্পাস হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে, যা আজ উপমহাদেশের অন্যতম বৃহত্তম ও বিশ্ববিখ্যাত ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়।
৫. ইসলামে কৃতিত্ব ও অবদান
ইসলামের ইতিহাসে, বিশেষ করে আধুনিক যুগে মুসলিম উম্মাহর পথপ্রদর্শনে মুফতি মুহাম্মদ শফি (রহ.)-এর অবদান বহুমুখী:
- ইসলামি ফিকহের আধুনিকায়ন: তিনি সমকালীন ব্যাংক ব্যবস্থা, ইনস্যুরেন্স, কাগজের মুদ্রা, শেয়ার বাজার এবং চিকিৎসা বিজ্ঞানের বিভিন্ন আধুনিক সমস্যার শরয়ী সমাধান দিয়ে ইসলামি আইনশাস্ত্রকে সমৃদ্ধ করেছেন।
- পাকিস্তানের সংবিধান প্রণয়ন: পাকিস্তান রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পর এর সংবিধানে যেন ইসলামি নীতিমালার প্রতিফলন ঘটে, সে জন্য তিনি ও উলামায়ে কেরাম মিলে বিখ্যাত ‘২২ দফা’ প্রণয়ন করেন। তিনি পাকিস্তানের রাষ্ট্রীয় শিক্ষা বোর্ড এবং ইসলামি পরামর্শ পরিষদের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ছিলেন।
- কাদিয়ানি ফিতনা প্রতিরোধ: মুসলিম উম্মাহর আকিদা রক্ষায় এবং কাদিয়ানিদের অমুসলিম ঘোষণার আন্দোলনে তিনি তাত্ত্বিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক লড়াইয়ে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন।
৬. তাঁর লিখনী ও সাহিত্যকর্ম
মুফতি মুহাম্মদ শফি (রহ.) একাধারে উর্দু, আরবি ও ফারসি ভাষায় প্রায় শতাধিক মূল্যবান কিতাব রচনা করেছেন। তাঁর কিতাবগুলো অত্যন্ত সহজ, সাবলীল এবং প্রমাণ্য তথ্যে ভরপুর। তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থগুলোর মধ্যে রয়েছে:
১. মাআরিফুল কুরআন (معارف القرآن): এটি তাঁর জীবনের সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ কীর্তি। উর্দু ভাষায় রচিত ৮ খণ্ডের এই তাফসির গ্রন্থটি সমগ্র বিশ্বে, বিশেষ করে বাংলাভাষী পাঠকদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয়। অত্যন্ত সহজ ভাষায় সাধারণ মানুষের হেদায়েতের আলো ছড়াতে এবং আধুনিক সংশয়গুলোর নিরসন করতে এই তাফসির অনন্য।
২. আহকামুল কুরআন (احکام القرآن): এটি আরবি ভাষায় রচিত কুরআনের আইন ও ফিকহ ভিত্তিক একটি অনন্য তাফসির, যা তিনি তাঁর অন্যান্য সহকর্মীদের সাথে মিলে সম্পন্ন করেছিলেন।
৩. ইমদাদুল মুফতিন (امداد المفتین): এটি ফতোয়া বিষয়ক তাঁর একটি আকর গ্রন্থ, যা ফতোয়া বিভাগের শিক্ষার্থীদের জন্য অত্যন্ত জরুরি।
৪. আলাতুত জাদিদাহ (الآلات الجديدة): আধুনিক আবিষ্কৃত যন্ত্রপাতি এবং লাউডস্পিকারে নামাজ পড়ার বিধান সংক্রান্ত ফিকহি কিতাব।
৫. কিতাবুর রিবা (کتاب الربا): সুদ এবং আধুনিক অর্থনৈতিক লেনদেনের ওপর একটি প্রামাণ্য গ্রন্থ।
৬. খতমে নবুওয়াত (ختم نبوت): রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর শেষ নবী হওয়ার সপক্ষে এবং কাদিয়ানি মতবাদের খণ্ডনে রচিত এক ঐতিহাসিক গ্রন্থ।
৭. ইন্তকাল
মুফতি মুহাম্মদ শফি (রহ.) ১৯৭৬ খ্রিষ্টাব্দের ৬ অক্টোবর (১৩৯৬ হিজরির ১০ শাওয়াল) করাচিতে ইন্তেকাল করেন। দারুল উলুম করাচি প্রাঙ্গণেই তাঁকে দাফন করা হয়।
যদিও তিনি আজ আমাদের মাঝে নেই, কিন্তু তাঁর রেখে যাওয়া উত্তরাধিকার আজও জীবন্ত:
- দারুল উলুম করাচির বর্তমান অবস্থা: তাঁর প্রতিষ্ঠিত জামিয়া দারুল উলুম করাচি বর্তমানে তাঁরই যোগ্য সন্তান, পাকিস্তানের সাবেক প্রধান বিচারপতি ও বিশ্ববরেণ্য ইসলামি স্কলার আল্লামা মুফতি মুহাম্মদ তাকি উসমানি-এর পরিচালনায় বিশ্বজুড়ে দ্বীনি আলো ছড়াচ্ছে। প্রতি বছর এখান থেকে হাজার হাজার মুফতি, মুহাদ্দিস ও গবেষক তৈরি হচ্ছেন। (উল্লেখ্য, তাঁর বড় ছেলে মুফতি মুহাম্মদ রফি উসমানি ২০২২ সালে ইন্তেকাল করেন, যিনি পাকিস্তানের গ্র্যান্ড মুফতি ছিলেন)।
- তাঁর চিন্তাধারার প্রভাব: তাঁর রচিত ‘মাআরিফুল কুরআন’ তাফসিরটি ইংরেজি, বাংলা, হিন্দি ও সোমালি সহ পৃথিবীর বহু ভাষায় অনূদিত হয়ে আজও কোটি কোটি মানুষের ঘরে ঘরে পঠিত হচ্ছে। আধুনিক ইসলামি ব্যাংকিং ও ফিন্যান্সের যে জোয়ার সারা বিশ্বে চলছে, তার মূল ভিত্তি তৈরিতে মুফতি শফি (রহ.)-এর ফিকহি গবেষণাই প্রধান পাথেয় হিসেবে কাজ করছে।
মুফতি মুহাম্মদ শফি (রহ.) ছিলেন একাধারে একজন প্রাজ্ঞ ফকিহ, দরদি উস্তাদ এবং আধ্যাত্মিক রাহবার। মুসলিম উম্মাহর জন্য তাঁর প্রতিটি অবদান কিয়ামত পর্যন্ত সদকায়ে জারিয়া হিসেবে জারি থাকবে, ইনশাআল্লাহ।
তার লিখিত কিছু কিতাব হলো :
০১. তফসিরে মাআরেফুল কুরআন
তাফসির কারক : মুফতি মুহাম্মদ শফী (রহ)

তাফসিরে মাআরেফুল কুরআন ভারতীয় উপমহাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় ও নির্ভরযোগ্য একটি তাফসির গ্রন্থ।
মুফতি মুহাম্মদ শফী (রহ.) ছিলেন বিংশ শতাব্দীর একজন শ্রেষ্ঠ ইসলামি চিন্তাবিদ, ফকিহ এবং দারুল উলুম দেওবন্দের প্রধান মুফতি। ১৮৯৭ সালে ভারতের দেওবন্দে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ছিলেন হাকিমুল উম্মত শায়খ আশরাফ আলী থানভী (রহ.)-এর অন্যতম সুযোগ্য শিষ্য। দেশভাগের পর তিনি পাকিস্তানে হিজরত করেন এবং সেখানে করাচিতে বিখ্যাত দ্বীনি প্রতিষ্ঠান ‘দারুল উলুম করাচি’ প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি কেবল একজন আলেমই ছিলেন না, বরং পাকিস্তান আন্দোলনেও তাঁর সক্রিয় ভূমিকা ছিল। ১৯৭৬ সালে এই মহান মনীষী ইন্তেকাল করেন।
রেডিও পাকিস্তানে কুরআনের তাফসির নিয়ে তাঁর প্রচারিত ধারাবাহিক আলোচনাগুলোই পরবর্তীকালে পরিমার্জিত হয়ে এই পূর্ণাঙ্গ তাফসিরের রূপ নেয়। এটি মোট ৮ খণ্ডে সমাপ্ত।
প্রধান বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- শরয়ি সমাধান ও ফিকহি মাসআলা: এই তাফসিরের অনন্য বৈশিষ্ট্য হলো, এতে প্রাসঙ্গিক আয়াতের অধীনে সমকালীন জীবনের জটিল মাসআলা এবং ফিকহি সমাধানগুলো অত্যন্ত সুন্দরভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে।
- সহজ ও প্রাঞ্জল ভাষা: মুফতি শফী (রহ.) অত্যন্ত সহজ ভাষায় এটি লিখেছেন, যাতে সাধারণ মানুষ এবং উচ্চতর গবেষক—উভয়েই উপকৃত হতে পারেন।
- হাকিমুল উম্মতের ছোঁয়া: তাঁর উস্তাদ মাওলানা আশরাফ আলী থানভী (রহ.)-এর চিন্তা ও আধ্যাত্মিক দর্শনের প্রতিফলন এই তাফসিরের পরতে পরতে লক্ষ্য করা যায়।
- সংশ্লিষ্ট বিষয়ের আলোচনা: কেবল আয়াতের শাব্দিক অর্থ নয়, বরং সেই আয়াতের আলোকে মুমিনের চরিত্র গঠন, সামাজিক সংস্কার এবং আধ্যাত্মিক উন্নতির বিষয়গুলোও এতে গুরুত্ব পেয়েছে।
- উপমহাদেশে জনপ্রিয়তা: বাংলা ভাষায় অনূদিত হওয়ার পর বাংলাদেশেও এটি সর্বাধিক পঠিত তাফসিরগুলোর একটিতে পরিণত হয়েছে। ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ সহ অনেক প্রকাশনী এটি অনুবাদ করেছে।
সারকথা: যারা কুরআনের তাত্ত্বিক আলোচনার পাশাপাশি দৈনন্দিন জীবনের ইসলামি বিধান ও আত্মশুদ্ধির পথ খুঁজতে চান, তাদের জন্য মাআরেফুল কুরআন একটি অপরিহার্য কিতাব।
তাফসিরটির বিভিন্ন খণ্ড ডাউনলোড করতে নিচের লিংকে ক্লিক করুন :
| ক্র: নং | খণ্ড নম্বর | ডাউনলোড |
| ০১ | প্রথম খণ্ড | ডাউনলোড |
| ০২ | দ্বিতীয় খণ্ড | ডাউনলোড |
| ০৩ | তৃতীয় খণ্ড | ডাউনলোড |
| ০৪ | চতুর্থ খণ্ড | ডাউনলোড |
| ০৫ | পঞ্চম খণ্ড | ডাউনলোড |
| ০৬ | ষষ্ঠ খণ্ড | ডাউনলোড |
| ০৭ | সপ্তম খণ্ড | ডাউনলোড |
| ০৮ | অষ্টম খণ্ড | ডাউনলোড |
০২. অনর্থক গুনাহ
লেখক : মুফতি মুহাম্মদ শফি
০৩. অহেতুক পাপ
লেখক : মুফতি মুহাম্মদ শফি
০৪. আজকের ভালো কাজ
লেখক : মুফতি মুহাম্মদ শফি
০৫. আত্মশুদ্ধি
লেখক : মুফতি মুহাম্মদ শফি
০৬. আল্লাহ ওয়ালা
লেখক : মুফতি মুহাম্মদ শফি
০৭. উম্মাহর প্রতি ঐক্যের আহ্বান
লেখক : মুফতি মুহাম্মদ শফি
০৮. জন্ম নিয়ন্ত্রণ
লেখক : মুফতি মুহাম্মদ শফি
০৯. নবীজীর ﷺ মেরাজ
লেখক : মুফতি মুহাম্মদ শফি
১০. নাজাতুল মুসলিমীন
লেখক : মুফতি মুহাম্মদ শফি
১১. বিশ্ববাজার ধসের মূল কারণ সুদ
লেখক : মুফতি মুহাম্মদ শফি
১২. ভোটের শরয়ী বিধান
লেখক : মুফতি মুহাম্মদ শফি
১৩. মৃত্যুশয্যায় শয়তানের ধোঁকা
লেখক : মুফতি মুহাম্মদ শফি
১৪. যেভাবে হবে হাশরের বিচার
লেখক : মুফতি মুহাম্মদ শফি
১৫. সিরাতে খাতামুল আম্বিয়া (সাঃ)
লেখক : মুফতি মুহাম্মদ শফি
১৬.হে নারী! তোমার জন্যও জান্নাত
লেখক : মুফতি মুহাম্মদ শফি














